শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:২৮ অপরাহ্ন
দেশের বাজারে ফের স্বর্ণের দামে বড় পতন

দেশের বাজারে ফের স্বর্ণের দামে বড় পতন

দেশের বাজারে ফের স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ৭ হাজার ১১৫ টাকা কমিয়ে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ
বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণী! ২০২৬ সালে কী ঘটতে চলেছে?

বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণী! ২০২৬ সালে কী ঘটতে চলেছে?

নেপালের সাম্প্রতিক ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ এবং বিশ্বজুড়ে একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘটনার পর ফের আলোচনায় উঠে এসেছে বুলগেরিয়ার অন্ধ ভবিষ্যদ্বক্তা বাবা ভাঙ্গার নাম। সামাজিক মাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদ
নেপালে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, দেশে ফিরে যা বললেন অপু বিশ্বাস

নেপালে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, দেশে ফিরে যা বললেন অপু বিশ্বাস

নেপালে ভয়াবহ হড়পা বান ও ভূমিধসে প্রাণহানির সংখ্যা ৬০০ ছুঁইছুঁই। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় দুই হাজার মানুষ। এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেই দেশটিতে শুটিংয়ে থাকা ঢাকাই চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস
এই মুহূর্তের খবর :
‘ভারত চলবে ভারতের মতো, বাংলাদেশ চলবে বাংলাদেশের মতো’ একাত্তরের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে দেশ বিনির্মাণে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ ইউনিট গঠন, তথ্য দিলে ২ লাখ টাকা পুরস্কার দেশে চাহিদার তুলনায় বেশি সার রয়েছে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী গুম-খুন ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের চাকরির নিয়োগপত্র দিলেন প্রধানমন্ত্রী হাসনাত আব্দুল্লাহর দুঃখপ্রকাশ বাংলাদেশে ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে, বাড়তে পারে দারিদ্র্য: বিশ্বব্যাংক দেশের বাজারে ফের স্বর্ণের দামে বড় পতন ভেনেজুয়েলার তেলের মজুতের এক-পঞ্চমাংশ দখলে নেয়ার ঘোষণা ট্রাম্পের বিদেশি বাহিনীকে উদ্ধার কাজের অনুমতি দিলো নেপাল অস্ট্রেলিয়া সফর শেষে দেশে ফিরলো ক্রিকেট দলের একাংশ আবেদনের চাপে এসএসসি ফল পুনর্নিরীক্ষণ, শঙ্কায় শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা শিরোপা মিশনে ‘ফাইভ স্টার’ শুরু বায়ার্নের জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান গাছ কাটছি মানে আমরা নিজেদেরই হত্যা করছি

কাদার নিচে লাশের সারি, নেপালে ভয়াবহ বন্যায় নিহত প্রায় ৪৭২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ৫ Time View
Update : August 28, 2026
কাদার নিচে লাশের সারি, নেপালে ভয়াবহ বন্যায় নিহত প্রায় ৪৭২

নেপালের রাসুয়া জেলায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি বেড়েই চলেছে। কাদা ও ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে একের পর এক মরদেহ উদ্ধার করা হচ্ছে। দেশটির পুলিশ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ৪৭২টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজের তালিকায় রয়েছেন প্রায় ১ হাজার ৫০০ মানুষ। তাদের মধ্যে কয়েকশ বিদেশি নাগরিকও রয়েছেন বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকালে নেপাল পুলিশের সর্বশেষ তথ্যের বরাত দিয়ে এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগে উদ্ধার হওয়া মরদেহের সংখ্যা ছিল ৪০০। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই আরও ৬৯টি মরদেহ উদ্ধারের তথ্য পাওয়া গেছে।

এদিকে কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবারের ভয়াবহ ভোটেকোশী নদীর বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭২ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বেঁচে থাকা ব্যক্তি এবং মৃতদেহের সন্ধানে উদ্ধারকারী দলগুলো পুরো নদীপ্রবাহ ও নিম্নাঞ্চলে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এখনও হাজারও মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

উল্লেখ্য-বুধবার সকালে উত্তর নেপালের রসুয়া এবং আশপাশের জেলাগুলোতে এই বন্যা আঘাত হানে। ফলে ভোটেকোশী ও ত্রিশূলী নদীতে তীব্র বেগে পানি এবং ধ্বংসাবশেষের স্রোত নেমে আসে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ঘরবাড়ি, সেতু, সড়কসহ অন্যান্য অবকাঠামো ভেসে গেছে এবং কিছু অঞ্চলের স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও পর্যটকরা দেশের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন।

নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে বিপুল সংখ্যক পর্যটক ও ট্র্যাকার রয়েছেন। নেপাল পর্যটন বোর্ড বৃহস্পতিবার রাতে জানায়, বন্যা উপদ্রুত এলাকায় ১২৭ জন নেপালিসহ মোট ৬৬৭ জন পর্যটক ও ভ্রমণকারী এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

নিখোঁজ ভ্রমণকারীদের তথ্য সংগ্রহ ও যাচাইয়ের কাজ করছে দেশটির পর্যটন বোর্ড, সংস্কৃতি, পর্যটন ও বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়, ট্যুরিস্ট পুলিশ এবং পর্যটন খাতের অন্যান্য সংস্থা।

এছাড়া অনুসন্ধান ও উদ্ধার তৎপরতায় তাঁরা ট্রাভেল এজেন্সি, ট্র্যাকিং কোম্পানি, গাইড, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছেন।

অনুসন্ধান, উদ্ধার ও উচ্ছেদ অভিযানের জন্য নেপালি সেনাবাহিনী, নেপাল পুলিশ এবং আর্মড পুলিশ ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। বিচ্ছিন্ন এলাকাগুলোতে পৌঁছাতে এবং বেঁচে যাওয়া মানুষদের সরিয়ে নিতে হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে, আর ভূমিতে থাকা দলগুলো নদীর তীর ও নিম্নাঞ্চলের লোকালয়গুলোতে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে।

এই বন্যা অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অন্যান্য অবকাঠামোর মারাত্মক ক্ষতি করেছে, যা উপদ্রুত সম্প্রদায়গুলোর কাছে পৌঁছানোর প্রচেষ্টাকে জটিল করে তুলেছে।

হঠাৎ ঘটে যাওয়া এই ধ্বংসাত্মক প্লাবনের কারণ এখনও তদন্তাধীন। হিমালয়ের পাদদেশে কোনো পূর্বাভাস ছাড়াই এই বন্যা আঘাত হানে এবং ভোটেকোশী ও ত্রিশূলী নদী প্রণালীর মধ্য দিয়ে দ্রুত তা ছড়িয়ে পড়ে। ফলে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় থাকা মানুষজন নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার খুব একটা সময় পাননি। সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট


More News Of This Category