বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৩৯ অপরাহ্ন
সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১২৯ বার পেছালো

সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১২৯ বার পেছালো

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ফের পিছিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে এ মামলার প্রতিবেদন দাখিলের
নেপালের বন্যায় ক্ষতি ৭ কোটি ২০ লাখ পাউন্ডের বেশি

নেপালের বন্যায় ক্ষতি ৭ কোটি ২০ লাখ পাউন্ডের বেশি

নেপালের ভয়াবহ বন্যায় সড়ক ও সেতুর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রাথমিক হিসাবে, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও সেতুর আর্থিক মূল্য ১৫ বিলিয়ন নেপালি রুপির বেশি, যা প্রায় ৭ কোটি ২০
নেপালকে ৫ লাখ ডলার সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র

নেপালকে ৫ লাখ ডলার সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র

নেপালে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায়ের জন্য জরুরি আশ্রয়কেন্দ্র, বিশুদ্ধ পানি, পয়ঃনিষ্কাশন ও অন্যান্য ত্রাণসামগ্রী সরবরাহের লক্ষ্যে ৫ লাখ মার্কিন ডলার সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এক বিবৃতিতে
এই মুহূর্তের খবর :
রংপুরে চার হত্যা: ২ আসামির ডিএনএ সংগ্রহ ও ডোপ টেস্ট হবে সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডন ৫ দিনের রিমান্ডে বাংলাদেশের সৌরবিদ্যুতে বিনিয়োগ করতে চায় চীন: মীর শাহে আলম সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১২৯ বার পেছালো নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চাই: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সাড়ে তিন বছরে বন্ধ ২৮৭ পোশাক কারখানা, কর্মহীন পৌনে ২ লাখ ‘আগের সরকারের দোষ দেখিয়ে বর্তমান সরকার দায়িত্ব এড়াতে পারে না’ বিশ্ববাজারে টানা কমছে জ্বালানি তেলের দাম ম্যানসিটি ছেড়ে নতুন ঠিকানায় গনসালেস ভারী বৃষ্টির কবলে সৌদি আরবের মক্কা, ‘রেড এল্যার্ট’ জারি সব আন্দোলনের অনুপ্রেরণা ছিলেন কাজী নজরুল: রিজভী এমবাপ্পের হ্যাটট্রিকে সোসিয়েদাদকে উড়িয়ে দিল রিয়াল হানিয়ার ভাইরাল ভিডিও ঘিরে নেটদুনিয়ায় বিতর্ক নেপালে বন্যা-ভূমিধসে প্রাণহানির ঘটনায় রাষ্ট্রপতির শোক নেপালের বন্যায় ক্ষতি ৭ কোটি ২০ লাখ পাউন্ডের বেশি

আবারও বন্ধ এফএসআরইউ, বাড়বে গ্যাস সংকট

অনলাইন ডেস্ক / ২১ Time View
Update : August 19, 2026
আবারও বন্ধ এফএসআরইউ, বাড়বে গ্যাস সংকট

মেরামত করে চালু হওয়ার পর এবার এলএনজি সংকটে বন্ধ হয়ে গেছে এক্সিলারেট এনার্জির এফএসআরইউ (ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল)। ১৭ আগস্ট এক কার্গো এলএনজি আসার কথা ছিল, না আসায় এই সংকট বলে জানিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সূত্র।

গ্যাস সংকট আরও বেড়ে যাওয়ার শঙ্কা করা হচ্ছে। টেন্ডার প্রক্রিয়ার বাইরে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) ৪ কার্গো এলএনজি আমদানির আদেশ দিয়েছিল রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল)। যার একটি ১৭ আগস্ট দেশে আসার কথা ছিল। না আসায় এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে গত তিন দিন ধরে সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া হয়। বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। নতুন কার্গো না আসা পর্যন্ত বন্ধ থাকছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জ্বালানি বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, আগামীকাল টোটাল এনার্জির এক কার্গো এলএনজি আসার কথা। তবে সেটি সূচি অনুযায়ী সামিট গ্রুপ পরিচালিত টার্মিনালে ভেড়ানোর কথা। পরবর্তী কার্গো আসতে পারে ২৩ আগস্টের দিকে। ততদিন পর্যন্ত বন্ধ থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তেমনটি হলে গ্যাস সরবরাহ ২৭০০ মিলিয়ন থেকে ২১০০ মিলিয়নে ঘনফুটে নেমে যাবে।

গত ২১ জুলাই একটি এফএসআরইউ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পর থেকে কমবেশি ২০০০ মিলিয়ন ঘনফুট সরবরাহ হচ্ছিল। এতে করে সারাদেশে ভয়াবহ গ্যাস সংকট দেখা দেয়। ৬ আগস্ট আংশিক সরবরাহ শুরু করলে কিছুটা উন্নতি হচ্ছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) গ্যাসের অভাবে সামিট গ্রুপের এফএসআরইউ থেকে সরবরাহ বন্ধ হলে পরিস্থিতি আরও জটিলতর হয়।

সামিটের এফএসআরইউ বন্ধের বিষয়ে প্রথমে সাগর উত্তাল থাকার কথা বলা হলেও দৃশ্যপট বলছে ভিন্ন কথা। সৌদি আরামকোর পাঠানো এলএনজিবাহী কার্গোটিকে ‘পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ’ বলছে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট। তাই এটি থেকে সামিটের ভাসমান টার্মিনালে এলএনজি খালাসে অস্বীকৃতি জানায় তারা। যে কারণে ওই কার্গোটি ফেরত পাঠাতে হয়েছে।

একদিকে যখন আমদানি যখন-তখন, দেশীয় উৎসের গ্যাসও প্রতিদিনই কমে যাচ্ছে। পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, ১৯ আগস্ট আমদানি করা হয়েছে মাত্র ৫৬১ মিলিয়ন ঘনফুট। আর দেশীয় উৎস থেকে উৎপাদন হয়েছে ১৬২৪ মিলিয়ন ঘনফুট, যা গত জুলাইয়ে ছিল ১৬৫৬ মিলিয়ন ঘনফুট। যে কারণে সারাদেশে ভয়াবহ গ্যাস সংকট চলছে। আবাসিক থেকে শুরু করে সব জায়গায় দূর্ভোগের খবর পাওয়া যাচ্ছে।

এক সময়ে দেশীয় গ্যাস ফিল্ডগুলো থেকে দৈনিক ২৮০০ মিলিয়নের মতো গ্যাস উৎপাদিত হলেও এখন ১৬২৪ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে এসেছে। মজুদ কমে যাওয়ায় প্রতিনিয়ত কমে আসছে উৎপাদন। বেশি উদ্বেগের বিষয় বড় গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানার উৎপাদন কমে যাওয়া। ফিল্ডটি থেকে এখনও সাড়ে ৪৫ শতাংশের মতো গ্যাস সরবরাহ আসছে। আর কনডেনসেট পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৬৮ শতাংশ। এক সময়ে ১৩৫০ মিলিয়নের মতো উৎপাদন দিত, ১৫ আগস্ট ৭৪০ মিলিয়নে নেমে গেছে। মজুদ কমে আসায় দ্রুতই কমে যাচ্ছে উৎপাদন। শঙ্কার হচ্ছে, যেকোনো সময়ে বড় ধরনের ধসের শঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।আবারও বন্ধ এফএসআরইউ, বাড়বে গ্যাস সংকট


More News Of This Category