বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩৭ অপরাহ্ন
নেপালের বন্যায় ক্ষতি ৭ কোটি ২০ লাখ পাউন্ডের বেশি

নেপালের বন্যায় ক্ষতি ৭ কোটি ২০ লাখ পাউন্ডের বেশি

নেপালের ভয়াবহ বন্যায় সড়ক ও সেতুর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রাথমিক হিসাবে, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও সেতুর আর্থিক মূল্য ১৫ বিলিয়ন নেপালি রুপির বেশি, যা প্রায় ৭ কোটি ২০
নেপালকে ৫ লাখ ডলার সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র

নেপালকে ৫ লাখ ডলার সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র

নেপালে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায়ের জন্য জরুরি আশ্রয়কেন্দ্র, বিশুদ্ধ পানি, পয়ঃনিষ্কাশন ও অন্যান্য ত্রাণসামগ্রী সরবরাহের লক্ষ্যে ৫ লাখ মার্কিন ডলার সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এক বিবৃতিতে
যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে কবি নজরুলের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী

যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে কবি নজরুলের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী

যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হচ্ছে আজ। এই উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ ‘মসজিদুল জামিয়া’-য় বাদ ফজর কোরআনখানি
এই মুহূর্তের খবর :
নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চাই: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সাড়ে তিন বছরে বন্ধ ২৮৭ পোশাক কারখানা, কর্মহীন পৌনে ২ লাখ ‘আগের সরকারের দোষ দেখিয়ে বর্তমান সরকার দায়িত্ব এড়াতে পারে না’ বিশ্ববাজারে টানা কমছে জ্বালানি তেলের দাম ম্যানসিটি ছেড়ে নতুন ঠিকানায় গনসালেস ভারী বৃষ্টির কবলে সৌদি আরবের মক্কা, ‘রেড এল্যার্ট’ জারি সব আন্দোলনের অনুপ্রেরণা ছিলেন কাজী নজরুল: রিজভী এমবাপ্পের হ্যাটট্রিকে সোসিয়েদাদকে উড়িয়ে দিল রিয়াল হানিয়ার ভাইরাল ভিডিও ঘিরে নেটদুনিয়ায় বিতর্ক নেপালে বন্যা-ভূমিধসে প্রাণহানির ঘটনায় রাষ্ট্রপতির শোক নেপালের বন্যায় ক্ষতি ৭ কোটি ২০ লাখ পাউন্ডের বেশি নেপালকে ৫ লাখ ডলার সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র ভয়াবহ বন্যায় নেপাল-চীনের ১৫০০ মানুষ নিখোঁজ বিধ্বস্ত নেপালে প্রাণহানি বেড়ে ১৬০, বিহারে ঢুকে পড়ছে পানি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে কবি নজরুলের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী

বিএনপি সরকারের ৬ মাসে প্রশাসনে কতটা দলীয়করণ, কতটা স্বচ্ছতা?

অনলাইন ডেস্ক / ১৮ Time View
Update : August 19, 2026
বিএনপি সরকারের ৬ মাসে প্রশাসনে কতটা দলীয়করণ, কতটা স্বচ্ছতা?

বিএনপি সরকারের ক্ষমতার ছয় মাসে প্রশাসনে কতটা শৃঙ্খলা ফিরেছে? কমেছে কী দলীয়করণ? মুল্যায়ন হচ্ছে কি যোগ্য ও পেশাদারদের? নাকি গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ আমলের মতোই দক্ষতা ও পেশাদারিত্ব আমলে না নিয়ে বেড়েছে দলীয় নিয়োগ?

বাংলাদেশের মতো রাষ্ট্রের প্রশাসনে দলীয়করণের নজীর খুব কমই আছে বিশ্বে। যে দলই ক্ষমতায় আসে, সেই সরকার অনেকক্ষেত্রে দক্ষতার চেয়ে নিয়োগে গুরুত্ব দেয় দলীয় মতাদর্শের কর্মকর্তাদের।

সাবেক সচিব একেএম আবদুল আউয়াল মজুমদার বলেন, গত ২০ থেকে ২৫ বছরে, আমলাতন্ত্র ৩টি ভাগে ভাগ হয়েছে: আওয়ামী লীগ-বিএনপি-জামায়াত।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক কাজী মারুফুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের নিয়োগ দেওয়ার কারণে ঐতিহাসিকভাবে দেখা গেছে, রাষ্ট্র ভেতর থেকে দুর্বল হতে থাকে।

সরকার গঠনের পর প্রশাসনে নিয়োগের ক্ষেত্রে বিএনপি এই শিক্ষা কতটা গ্রহণ করেছে, তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। গণঅভ্যূাত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ আমলে প্রশাসনে চরম দলীয়করণ হয়েছে। এর থেকে বের হতে অন্তবর্তী সরকার জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করেছিলো।

কিন্তু নিয়োগ-পদোন্নতির ক্ষেত্রে দক্ষতা ও যোগ্যতাকে গুরুত্ব দেয়ার ক্ষেত্রে সেই কমিশনের সুপারিশ মানেনি তৎকালীন অন্তবতী সরকারও। দীর্ঘদিন অবসরে থাকা জামায়াত ও বিএনপি ঘরানার বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে ফিরিয়ে এনে গুরুত্বপূর্ণ সব মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতা বিএনপিও রক্ষা করছে।

বর্তমানে সচিব ও সচিব পদ মর্যাদার ৭৯ জনের মধ্যে ২৩ জনই চুক্তিভিত্তিক, দলীয় মতাদর্শের। আবার ভিন্ন মতাদর্শের কারনে জ্যেষ্ঠ সচিব, সচিব ও অতিরিক্ত সচিব পদের ৭০-এর বেশি কর্মকর্তা ওএসডি, অর্থাৎ কর্মহীন হয়ে আছেন।

প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেন, যাদের কারণে ফ্যাসিবাদী সরকার এত শক্ত খুঁটির ওপর দাঁড়িয়ে ছিল, যারা বারবার গণমানুষের অধিকার লুণ্ঠন করেছে, সেই ধরনের মানুষদের ছাঁটাই করা হবে—এটাই তো জনগণের আকাঙ্ক্ষা।

সাবেক সচিব একেএম আবদুল আউয়াল মজুমদারও মনে করেন, বঞ্চিতদের মাঝে যারা ভালো, তাদেরকে যেমন কাজে লাগাতে হবে, ঠিক তেমনি, আগের আমলে যারা ভালো ছিলেন, তাদেরকেও কাজে লাগাতে হবে। তাহলে সরকার ভালোভাবে চলতে পারবে।

সম্প্রতি ১২ অধিদফতর ও করপোরেশনে নিয়োগের ক্ষেত্রে দলীয় পদধারীদের নিয়োগ দিয়েছে সরকার। যারা দল থেকেও পদত্যাগ করেননি। এক্ষেত্রে অবশ্য মিশ্র প্রতিক্রিয়া জণপ্রশাসন বিশেষজ্ঞদের।

তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যায়ন বিভাগের অধ্যাপক কাজী মারুফুল ইসলাম মনে করেন, দলীয়ভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত যারা হলেন, তারা আসলে বস্তুনিষ্ঠভাবে জনগণকে সেবা দিতে পারবেন, এটা আশা করা খুবই কঠিন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, ১৮২৯ সালে, প্রেসিডেন্ট এন্ড্রু জ্যাকসনের আমলে গৃহীত নীতি অনুযায়ী, যখন যে দল সরকার পরিচালনা করবে, প্রশাসনে থাকবে তাদের দলীয় কর্মকর্তা। তবে ১৮৮৩ ও ১৯৭৮ সালে দুই দফা সংশোধনীর মাধ্যমে এই অবস্থান থেকে সরে আসে মার্কিন সরকার।

জিমি কার্টারের আমলে, প্রশাসনে নিয়োগের ক্ষেত্রে ৬৫ ভাগ মেধা ও ৩৫ ভাগ দলীয় নিয়োগের বিধান করে দেশটি। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ক্ষমতাসীনরা এই উদাহরণ দিলেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এক্ষেত্রে দুই দেশের প্রেক্ষাপট ভিন্ন।

অধ্যাপক কাজী মারুফুল ইসলাম জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের অন্য আরেকটি মৌলিক পার্থক্য হচ্ছে, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সততা ও স্বচ্ছতার যে কাঠামো, সেটি সেখানে ভেঙে যায়নি। কিন্তু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এগুলো হয়।

জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞরা দলীয় নিয়োগ-দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের ভিত্তিতে হলে সমস্যা দেখেন না। তারা বলছেন, সংকট অদক্ষতায়-অনিয়মে।

অধ্যাপক কাজী মারুফুল বলেন, যে দলটিই ক্ষমতায় আসে, তারা তাদের সমর্থক কর্মকর্তা-কর্মচারী খোঁজার চেষ্টা করেন। তবে এই কৌশলে শেষ পর্যন্ত ওই দলের কিংবা সরকারের কোন লাভ হয় না।

প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র মাহদী আমিন মনে করেন, সামনের দিনগুলোতে তাদের পারফরম্যান্স পর্যালোচনা করা হবে। তিনি দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা দাবি করেন, প্রশাসন আগের চেয়ে ‘নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে’। সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি প্রাধান্য পাচ্ছে ‘না’।


More News Of This Category