বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০০ পূর্বাহ্ন
আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন মেসি

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন মেসি

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন আর্জেন্টাইন ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে মেসি নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অবসরের ঘোষণা দিয়ে আটবারের ব্যালন ডি’অর
রোজার পরেই এসএসসি পরীক্ষা, আপাতত পেছানোর পরিকল্পনা নেই: শিক্ষামন্ত্রী

রোজার পরেই এসএসসি পরীক্ষা, পেছানোর পরিকল্পনা নেই: শিক্ষামন্ত্রী

সবকিছু বিবেচনা করেই রোজার পর এসএসসি পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, ‘আপাতত এইচএসসি পরীক্ষা পেছানোর কোনো কারণ নেই।’
লঘুচাপের প্রভাব: চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

লঘুচাপের প্রভাব: চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ-উত্তর উড়িষ্যা উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ, তৎসংলগ্ন উত্তর উড়িষ্যা উপকূল ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে।
এই মুহূর্তের খবর :
আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন মেসি পে-স্কেল অনুমোদন: সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা রোজার পরেই এসএসসি পরীক্ষা, পেছানোর পরিকল্পনা নেই: শিক্ষামন্ত্রী জিসান হত্যা: শেখ হাসিনাসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে বিজিবিকে রাষ্ট্রপতির আহ্বান ভোটার সংখ্যা দাঁড়াল ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৭৭ হাজার ৬৪৩ বাংলাদেশ-মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ বাংলাদেশকে ২৪ লাখ ডলারের চিকিৎসা সরঞ্জাম দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র লঘুচাপের প্রভাব: চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত নেপালে লাশ দাফন শুরু, নিখোঁজ হাজারো মানুষের সন্ধানে উদ্ধারকর্মীরা র‍্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের রুনা খান মাগুরার সেই শিশু হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল মক্কা প্যাক্টে যোগদানের সরকারি ইচ্ছাকে ‘সাধুবাদ’ আসিফ মাহমুদের স্থায়ী চুক্তিতে শেফিল্ডে ফিরছেন হামজা এমবাপে-বেলিংহামের গোলে রিয়ালের হ্যাটট্রিক

নাগালের বাইরে সবজি-মাছ, স্থিতিশীল চালের বাজার

অনলাইন ডেস্ক / ৯৯ Time View
Update : August 21, 2026
নাগালের বাইরে সবজি-মাছ, স্থিতিশীল চালের বাজার

ভর বর্ষা মৌসুমেও রাজধানীর কাঁচাবাজারে সবজির দামে কোনো স্বস্তি নেই। চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে প্রায় সব ধরনের সবজি ও মাছ। ফলে আয়ের সাথে ব্যয়ের সঙ্গতি মেলাতে হিমশিম খাচ্ছেন স্বল্প ও নিম্নআয়ের মানুষ।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে বাজারদরের এমন তথ্য জানা যায়।

আজকের বাজারে প্রতিকেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়, কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ১২০ টাকা, পটল প্রতি কেজি ৮০ টাকা, শসা প্রতি কেজি ৬০ টাকা, করলা প্রতি কেজি ৮০-১০০ টাকা, বরবটি প্রতি কেজি ১০০ টাকা এবং ঝিঙা ও চিচিঙ্গা প্রতি কেজি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। জালি কুমড়া ৮০ টাকা, কচুর মুখি ৮০ টাকা, লতি ৮০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৬০ টাকা, কাঁচা কলা প্রতি হালি ৪০-৫০ টাকা।

এ ছাড়া, কাঁকরোল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়, ঢ্যাঁড়স প্রতি কেজি ৬০ টাকা, শিম প্রতি কেজি ২০০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৪০ টাকা, গাজর প্রতি কেজি ১৪০ টাকা, ধন্দুল প্রতি কেজি ৬০ টাকা, মুলা প্রতি কেজি ৮০ টাকা এবং বেগুন প্রতি কেজি ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে লাল শাক ও শাপলা ফুল প্রতি আটি ২০ টাকা। লাউ শাক, পুঁই শাক ও ডাটা শাক ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দেশি মসুর ডাল ১৬০-১৭০ টাকা, মোটা মসুর ডাল ১০০-১১০ টাকা, মুগ ডাল ১৭০ টাকা। বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৯৯ টাকা লিটার এবং খোলা সয়াবিন ২০২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দেশি পেঁয়াজ ৫০ টাকা, আলু (ধরনভেদে) ২৫-৪০ টাকা, আদা ১৬০-১৮০ টাকা, দেশি রসুন ১২০ টাকা এবং আমদানি করা বড় রসুন ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মিরপুর ২ নম্বরে বাজার করতে আসা অফিস সহায়ক আরজুল্লা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গরমকালের মতোই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি। কাঁচাবাজারে এসে সবজি কিনতেই পকেটের টাকা শেষ হয়ে যাচ্ছে, মাছের বাজারে যাওয়ার আর উপায় নেই।

একই বাজারের সবজি বিক্রেতা আনারুল জানান, পাইকারি বাজারে প্রায় সব ধরনের সবজি একই রকম আছে। তাই খুচরা বাজারেও কম বেশি হয়নি। দুয়েকটা পণ্যের দাম কমলেও খুচরা বাজারে তারতম্য নেই।

চালের বাজারে সামগ্রিক স্থিতিশীলতা দেখা গেছে। খুচরা বাজারে মিনিকেট (মোজাম্মেল) ৮৫ টাকা, মিনিকেট (রশিদ ও ফ্রেশ) ৮০ টাকা, আঠাশ ৬০ টাকা, পাইজাম ৬০ টাকা এবং মোটা চাল (গুটি-স্বর্ণা) ৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বিক্রেতারা জানান, মোটা চালের দাম কিছুটা নিম্নমুখী।

পাইকারি বাজারে ৫০ কেজির বস্তা মিনিকেট (মোজাম্মেল) তিন হাজার ৬০০ টাকা, মিনিকেট (রশিদ) তিন হাজার ১০০ টাকা, আঠাশ দুই ৬০০ টাকা, পাইজাম দুই হাজার ৫৫০- দুই হাজার ৬০০ টাকা এবং গুটি-স্বর্ণা দুই হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা যায়, মাংসের বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দাম কিছুটা বেড়ে আজ বিক্রি হয়েছে ১৯০ টাকা, সোনালি ৩২০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি। ডিমের বাজারেও অস্বস্তি অব্যাহত রয়েছে। সাদা ডিমের ডজন ১৩০ টাকা, বাদামি ডিম ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। তবে এলাকাভেদে বাজার ও পাড়া-মহল্লায় এসব পণ্যের দামে কিছুটা ভিন্নতা লক্ষ্য করা যায়। পাড়া-মহল্লার দোকানে ডিম ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মুরগি বিক্রেতা আনিস আহমেদ বলেন, গত সপ্তাহে তুলনায় এই সপ্তাহে মুরগির দাম আগের মতো আছে। আজকে ১৯০ টাকা কেজি বিক্রি করেছি। গত সপ্তাহে একই দাম ছিল। সোনালি মুরগির দাম আগের মতোই আছে। ৩২০ টাকা কেজি বিক্রি করেছি।

মাছের বাজারেরও একই চিত্র। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০, পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি। পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। মাঝারি আকারের রুই কেনা যাচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে। এ ছাড়া, রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে। ৯০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ওজনের ইলিশ ২ হাজার ৫০০, আর ১ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রায় ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রায়ের বাজারে আবু দাউদ নামে ক্রেতা বলেন, বাজারে মাছ কিনতে এসে এখন রীতিমতো অবাক হতে হয়। ২৫০ টাকার নিচে কোনো মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। তেলাপিয়াও আড়াইশ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আমাদের মতো মধ্যবিত্তদের জন্য বাজার করাই কষ্টসাধ্য হয়ে যাচ্ছে।

মাছ বিক্রেতা কফিল উদ্দিন বলেন, মাছের দামে বড় কোনো পরিবর্তন নেই, আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। মাছের বাজারে একদিন ২০ থেকে ৩০ টাকা কমছে তো পরদিনই আবার বাড়ছে।

ক্রেতারা জানান, বাজারে এসে এখন মাছ, মুরগি আর ডিম কিনতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। একটার দাম একটু কম, তো আরেকটার দাম বেড়ে যাচ্ছে। ২০০ টাকার মধ্যে মাছ পাওয়া যাচ্ছে না, ব্রয়লার মুরগির দামও অনেক বেশি। ডিমের দামও বেড়ে গেছে। আমাদের আয় তো সেভাবে বাড়েনি, কিন্তু বাজার খরচ প্রতিদিনই বাড়ছে। আগে যে টাকায় এক সপ্তাহের বাজার করা যেত, এখন সেই টাকা কয়েক দিনের মধ্যেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। এভাবে নিত্যপণ্যের দাম বাড়তে থাকলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সংসার চালানো খুব কঠিন হয়ে যাবে।


More News Of This Category