রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫৬ অপরাহ্ন
সম্পত্তি দান করেও আজীবন ভোগদখলের অধিকার

সম্পত্তি দান করেও আজীবন ভোগদখলের অধিকার

সন্তান বা নিকটাত্মীয়কে সম্পত্তি দান করার পরও দাতা যাতে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ওই সম্পত্তি ব্যবহার ও ভোগদখল করতে পারেন, সেই সুযোগ রেখে আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
মালয়েশিয়া ৬ মাসে ২ লাখ শ্রমিক নেবে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

মালয়েশিয়া ৬ মাসে ২ লাখ শ্রমিক নেবে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

আগামী ছয় মাসের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে প্রায় দুই লাখ শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া। দেশের বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে এই শ্রমিক নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন
ইরানে ফাঁসিতে ঝুললেন ২০ আফগান, কারণ জানলে চমকে উঠবেন

ইরানে ফাঁসিতে ঝুললেন ২০ আফগান, কারণ জানলে চমকে উঠবেন

ইরানের বিভিন্ন কারাগারে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত অন্তত ২০ আফগান নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে মাদকসংক্রান্ত অপরাধ, হত্যা, ইসরায়েলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি এবং সরকারবিরোধী বিক্ষোভে
এই মুহূর্তের খবর :
হামে চারজনের মৃত্যু, নতুন রোগী দেড় হাজারের বেশি সম্পত্তি দান করেও আজীবন ভোগদখলের অধিকার স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না : রাষ্ট্রপতি আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক মৃত্যু হয়েছে ঢাকায়, দাফন দিল্লিতে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সংসদের স্থায়ী কমিটির বৈঠক বর্জন করেছে জামায়াতে ইসলামী মালয়েশিয়া ৬ মাসে ২ লাখ শ্রমিক নেবে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী তরুণদের হাত ধরেই দারিদ্র্যমুক্ত হবে বাংলাদেশ: সেনাপ্রধান বাংলাদেশ জে-১০সি কিনলে ভারত-আমেরিকার মাথাব্যথার কারণ দেখছেন না বিশেষজ্ঞরা ২ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস কর্মসূচি ডাকবে জামায়াত, ঢুকে পড়বে আওয়ামী লীগ: রাশেদ খাঁন শেষ মুহূর্তে ফাইনাল হাতছাড়া বাংলাদেশের ফিটনেস ও সৌন্দর্য ধরে রাখার রহস্য জানালেন রাশমিকা ইরানে ফাঁসিতে ঝুললেন ২০ আফগান, কারণ জানলে চমকে উঠবেন মেসির চার গোলের ঝড়ে জয়খরা কাটাল মায়ামি

ভিন্ন প্রেক্ষাপটের ডাকসু নির্বাচন, বিজয়ীদের শিক্ষার্থীবান্ধব হওয়ার চ্যালেঞ্জ

অনলাইন ডেস্ক / ৫৫১ Time View
Update : August 28, 2025
ভিন্ন প্রেক্ষাপটের ডাকসু নির্বাচন, বিজয়ীদের শিক্ষার্থীবান্ধব হওয়ার চ্যালেঞ্জ

গেলো ৩৪ বছরে দ্বিতীয়বার মাঠে গড়াচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন। তাই শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশার পারদ আকাশচুম্বী। ছাত্ররাজনীতির গতিপ্রবাহ বিশ্লেষণ করেন, এমন শিক্ষকদের অভিমত, বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানে উন্নীত করতে ডাকসু নেতাদের ভূমিকা সীমিত। আশা করেন, এবার বিজয়ীরা নিজেদের পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব বিকাশে ভূমিকা রাখবেন। আর ডাকসুর সাবেক নেতারা বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর বদলে গেছে শিক্ষার্থীদের চাহিদা। এবার সব রাজনৈতিক আদর্শের সহাবস্থান নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়কে নতুন সম্ভাবনার ক্ষেত্র বানাবেন ডাকসুর বিজয়ীরা।

আসছে ৯ সেপ্টেম্বর ঢাবি শিক্ষার্থীরা রায় দেবেন, কে হবেন ছাত্র সংসদের পরবর্তী এক বছরের কর্ণধার। খাবারের মানোন্নয়ন, পরিবহন ও আবাসন সংকট নিরসণসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ভোটারদের চাওয়ার প্রেক্ষিতে সেসব পূরণে প্রার্থীরা প্রতিশ্রুতিও দিচ্ছেন।

তবে ডাকসুর নেতারা কেবল অভ্যন্তরীণ সমস্যা নিরসণে সীমাবদ্ধ থাকবেন, তেমনটা মনে করেন না ডাকসুর সাবেক ভিপিরা। ভিন্ন দুই শতাব্দীতে ভিপি পদে দায়িত্ব পালন করাদের অভিমত, অতীতে সরকার ও ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠনের প্রভাবে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেনি ডাকসুর নেতারা। এবার ভিন্ন সমীকরণ হবে বলেই মনে করেন তারা।

ডাকসুর সাবেক সহ-সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘এখন দেখছেন গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডি, টিআইবি, অর্থনৈতিক কিছু গবেষণা প্রতিষ্ঠান— তারা বলে কী কী হওয়া উচিত আর কী কী হয়নি, এক ধরনের দিকনির্দেশনা দেয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তো সবচেয়ে বড় গবেষণা কেন্দ্র হওয়ার কথা, ডাকসু সবচেয়ে বেশি এনলাইটেন্ড থাকার কথা, তারা যখন বলবে এরকম কথা জায়গায় থেকে তখন সেটা পুরো জাতির জন্যএকটা দিকনির্দেশনা হতে পারে।’

ডাকসুর সাবেক সহ-সভাপতি নুরুল হক নুর বলেন, ‘একাডেমিক কার্যক্রমে একটা সহায়ক ভূমিকা রাখবে, যেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষার্থীরা রিসার্চের সুযোগ পায়, রিসার্চে যেন আর্থিক সুযোগ-সুবিধা থাকে। বিভিন্ন মাধ্যম বা অ্যালামনাইদের মাধ্যমে তারা স্পন্সর কালেক্ট করতে পারে।’

তবে ডাকসু নেতাদের এই পরিবর্তন করার সাধ ও সাধ্যের মধ্যে বিস্তর ব্যবধান নিয়েও আছে নানা মত। ডাকসুর গঠনতন্ত্রে ৪টি লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও ৮টি কাজ ছাড়াও কল্যাণমূলক কাজের মাধ্যমে সদস্যদের সমাজসেবার মনোভাব জাগিয়ে রাখার কথা বলা আছে।

এর মধ্যে আছে কমনরুম ব্যবস্থাপনা, সামাজিক সমাবেশ, বক্তৃতা, বিতর্ক ও অভ্যন্তরীণ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন, বছরে অন্তত একবার জার্নাল প্রকাশ, শিক্ষা সম্মেলনে প্রতিনিধি পাঠানো আর পত্রিকা সরবরাহের মতো কাজ।

এমন প্রেক্ষাপটে, বিজয়ী প্রার্থীর নিজের নেতৃত্বের বিকাশে ভূমিকা থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের করতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখতে কতটুকু সক্ষম সে বিষয়ে ভিন্নমত জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দু’জন শিক্ষক।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. কাজী মাহবুবুল হক বলেন, ‘শিক্ষার্থী সংসদগুলোকে শিক্ষার্থীদের মনোযোগের উপলক্ষ করা দরকার, এটাকে যেন জাতীয় পর্যায়ে টানা-হেঁচড়া করে আমরা যেন তাদের শিক্ষার্থীদের মনোযোগের বাইরে না নিয়ে যাই। তাদের মনে রাখতে হবে যে তারা ফুল টাইম স্টুডেন্ট, তাদের প্রধান কাজ হলো পড়াশোনা করা, পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সুবিধা-অসুবিধা দেখা, যেটা আইনগত।’

ডাকসুর চীফ রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন বলেন, ‘লিডারশিপ বললে শুধু পল্টনে গিয়ে বক্তৃতা দেবে— এটা না তো, বরং যার যার ফিল্ডে গুণগত নেতৃত্ব দেয়াই হলো লিডারশিপ।’

তবে আসন্ন ডাকসু নির্বাচনে ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের নেতৃত্ব উঠে আসবে এমন সম্ভাবনা থেকে সাবেক ভিপিরা মনে করেন, ডাকসুকে ‘সেকেন্ড পার্লামেন্ট’ হিসেবে কার্যকরী করতে বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেবেন নির্বাচিতরা।

নিয়মিত নির্বাচন আয়োজন করলে ডাকসু আরও কার্যকরী হবে। ফিরে আসবে সুস্থ রাজনৈতিক ধারা। এমনটাই প্রত্যাশা সাবেক ছাত্রনেতাদের।


More News Of This Category