বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন

রিমান্ড ও জামিন নামঞ্জুর : কারাগারে শিরীন শারমিন চৌধুরী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় হত্যাচেষ্টা ও ভাঙচুরের ঘটনায় রাজধানীর লালবাগ থানায় করা একটি মামলায় জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর রিমান্ড ও জামিন নামঞ্জুর করে তাকে

জননেতা তারেক রহমানের আর নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির নির্বাচনী কৌশল একই!

আসাদুজ্জামান বাবুল : জননেতা তারেক রহমানের নির্বাচনী কর্মকান্ডে আমি একটা ইন্টারেস্টিং বিষয়ে লক্ষ্য করেছি, নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির নির্বাচনী কৌশল আর জননেতা তারেক রহমানের নির্বাচনী কৌশল অনেকটা একই

হাইকোর্টের আদেশ না মানার অভিযোগ স্বয়ং আইন মন্ত্রণালয়!

স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর দক্ষিণ সিটি কর্পোশনের ৬৩ নং ওয়ার্ডের নিকাহ ও তালাক রেজিস্ট্রারের পদটি শুন্য থাকায় উক্ত শুন্যপদে নিকাহ ও তালাক রেজিস্ট্রার নিয়োগের নিমিত্তে প্রস্তুতকৃত প্যানেলের দুইজন সদস্যের
এই মুহূর্তের খবর :
আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল, অংশ নিলেন দুই শতাধিক নেতাকর্মী রুপগঞ্জ টেলিভিশন মিডিয়ার ক্লাবের কমিটি ঘোষণার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই ১১ সদস্যের অব্যাহতি ২৮২৩ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোটে নির্বাচিত হলেন কোষাধ্যক্ষ জিয়াউর রহমান অন্তর্বর্তী সরকারের ১৪ অধ্যাদেশ বিল আকারে পাস রিমান্ড ও জামিন নামঞ্জুর : কারাগারে শিরীন শারমিন চৌধুরী গ্লোবাল এডুকেশন এক্সপো বাংলাদেশজুড়ে সফলভাবে সম্পন্ন জননেতা তারেক রহমানের আর নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির নির্বাচনী কৌশল একই! ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু! হাউজিং ব্যবসার নামে ভয়ানক প্রতারণার ফাঁদ! ঈদে পর্দায় নতুন জুটি: জাহের আলভী–সিনথিয়ার ‘হেট ইউ বউ’ সরকারী এডওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ এর অর্থনীতি বিভাগের ফ্যামিলি গেটটুগেদার অনুষ্ঠিত এডিসি’র প্রটোকলে গিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেঁসে গেলেন হাতীবান্ধা (ওসি) তদন্ত কমিটিও গঠন আসন্ন রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স এর দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে (খোকন-শান্তন-প্রিন্স) পরিষদ “ক” ব্যালটে আপনার মূল্যবান ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুন রাজশাহীতে প্রকাশ্যে নির্যাতনে ভ্যানচালকের মৃত্যু উৎসব ও আনন্দের মধ্য দিয়ে পর্দা নামলো মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট ক্রিকেট লিগের তৃতীয় আসর বাংলাদেশ টেলিভিশনের নতুন কুড়ি প্রতিযোগিতায় সেরা দশে স্থান পেয়ে নজর কেড়েছেন তাসনিম জাহান সময়

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ‘বিশেষ সাংবিধানিক আদেশ’ জারির পরামর্শ

অনলাইন ডেস্ক / ৫৬৮ Time View
Update : August 30, 2025
জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ‘বিশেষ সাংবিধানিক আদেশ’ জারির পরামর্শ

বিদ্যমান সাংবিধানিক কাঠামোতে অধ্যাদেশ দিয়ে সাংবিধানিক সংশোধনী সম্ভব নয়। আবার যেকোনো অধ্যাদেশ বাতিল করে দিতে পারে উচ্চ আদালত কিংবা পরবর্তী সংসদ। তাই জুলাই সনদের আইনি বাধ্যবাধকতা নিশ্চিতে ‘বিশেষ সাংবিধানিক আদেশ’ জারির পরামর্শ দিয়েছেন সংবিধান বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, রাজনৈতিক ঐকমত্যের পাশাপাশি গণভোটে পাশ হলে পরবর্তী সংসদ জুলাই সনদ মানতে বাধ্য। তখন আদালতের দায়িত্ব হবে নতুন সংবিধান রক্ষা করা। তবে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণপরিষদ কিংবা সংস্কার পরিষদ সবচেয়ে উত্তম পদ্ধতি বলে মনে করছেন অনেকে।

রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ছয় মাস আলোচনার পর ৮৪টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ঐকমত্য হলেও এর বাস্তবায়ন নিয়ে ভিন্ন অবস্থানে দলগুলো। বিএনপি চায়, পরবর্তী সংসদ, জামায়াত চায় গণভোট এবং এনসিপির দাবি গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে সাংবিধানিক সংস্কার করতে।

রাজনৈতিক দলগুলোর এ পরস্পরবিরোধী অবস্থানের কারণে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পথ খুঁজতে গত দুই সপ্তাহে কয়েক দফা বিশেষজ্ঞের সঙ্গে বৈঠক করেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। তারা বিশেষ সাংবিধানিক আদেশ দিয়ে সনদ বাস্তবায়নের পরামর্শ দিয়েছেন। কারণ বিদ্যমান সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অধ্যাদেশের মাধ্যমে সংবিধানের কোনো বিধান পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

বিশেষ সাংবিধানিক অধ্যাদেশ প্রসঙ্গে সংবিধান বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি রাজনৈতিক দলগুলোর সমঝোতা আইন।

রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাউয়ুম বলেন, ‘জুলাই চার্টারে অনেক বিষয় আছে যেটা সংবিধানকে টাচ করে। সেটি তো অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা যাবে না। সেক্ষেত্রে প্রশ্নটা জাগে যে, বিদ্যমান সংবিধানের কাঠামোর বাইরে গিয়ে জুলাই চার্টারকে বাস্তবায়ন করার জন্য আমরা কোনো বিশেষ সাংবিধানিক আদেশের কথা চিন্তা করতে পারি কি না। বিষয়টি কিন্তু এভাবেই এসেছে। আমি মনে করি এটা সম্ভব।’

সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্য ব্যারিস্টার ইমরান সিদ্দিক বলেন, ‘আসলে এখানকার রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতাটাকে একটা আইনে পরিণত করা। এমনিতে অনেকের মধ্যে সন্দেহ আছে যে আসলে সমস্ত সমঝোতার কোনো ধরনের মূল্য থাকে না। কিন্তু যখনই টা কটা নে পরিণত হয় এবং সবাই মিলে এ আইনটাকে যদি মেনে নেয় তাহলে সেটার গ্রহণযোগ্যতারও থাকবে, এটা ফেলে দেয়ার সম্ভাবনাটাও কমবে।’

তবে এ বিশেষ আদেশকে সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক বলে মনে করে বিএনপি। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, সংবিধান স্থগিত থাকলে রাষ্ট্র পরিচলানার জন্য সাংবিধানিক আদেশের প্রয়োজন হয়। যেহেতু সংবিধান অনুযায়ী দেশ পরিচালিত হচ্ছে, তাই বিশেষ আদেশের প্রয়োজন নেই।

সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমদের তো একটা সংবিধান এখন আছে। যেটি চালু আছে, স্থগিত করা হয়নি। এ সংবিধান অনুযায়ীই সরকার শপথ নিয়েছে। সংবিধান অনযায়ীই বর্তমান জুডিশিয়ারি চলছে, প্রশাসন চলছে, সবকিছুই চলছে। এ অবস্থায় সংবিধানিক অর্ডার ইস্যু করারই তো কোনো সুযোগ নেই, প্রয়োজনীয়তাও নেই। এমন না যে, এ সংবিধানের বিধানগুলো যেগুলো সংশোধিত হবে সেগুলো আজকেই ইন অ্যাকশনে না থাকলে রাষ্ট্র চলছে না। এমন কোনো পরিস্থিতি তো নাই। রাষ্ট্র চলছে, সাংবিধানিকভাবেই চলছে।’

তবে অতীতের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে ঝুঁকির আশঙ্কা থেকেই বিশেষ সাংবিধানিক আদেশের দাবি উঠছে, যা করা হলে আদালত সহজে বাতিল করতে পারবে না।

হাসনাত কাউয়ুম বলেন, ‘এখানকার অ্যাফিলিয়েট ডিভিশনের কাছে এটা চায়, তারা যদি বলে এটা ১০৬ অনুযায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের কথা বলছে, অন্তর্বর্তী সরকার বলে তো আমাদের কিছু নাই। অন্তর্বর্তী সরকারকে যেভাবে বলছে। একইরকম যদি বলে যে আপনারা করে নিতে পারেন তাহলে আইনটা আরও শক্তিশালী হবে।’

সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্য ইমরান হোসাইন বলেন, ‘সিরিয়াতে কী হলো? বিপ্লবের পরে যে বিপ্লবী সরকার হলো তারা অন্তর্বর্তী সংবিধান সই করে ওরা জারি করে দিলো তো। বিপ্লবের পর যে সরকার গঠিত হয় সেটা কিন্তু জনগণের অভিপ্রায়ের বহিঃপ্রকাশ হিসেবেই গঠিত হয়। তখন কিন্তু তারা পুরাতন কোনো আইনি বা সংবিধানিক কাঠামোতে তারা আবদ্ধ থাকতে বাধ্য নয়। সরকার যদি মনে করে, আমরা জনগণের ইচ্ছা দ্বারা গঠিত এবং আমরাই সিদ্ধান্ত নেবো যে, আমাদের পরবর্তী সাংবিধানিক কাঠামো কী হবে।’

সংবিধানের মৌলিক পরিবর্তনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের পাশাপাশি জনগণের মতামত যাচাইয়ে গণভোট জরুরি বলে মনে করেন সংবিধান সংস্কার কমিশনের এ সদস্য।

ইমরান হোসাইন বলেন, ‘এ জুলাই সনদের মাধ্যমে কিন্তু আমরা সংবিধানের কিছু মৌলিক সংশোধন আনার চেষ্টা করছি বা মৌলিক পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছি। মৌলিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে আসলে জনসমর্থন যাচাই করা খুবই জরুরি।’

হাসনাত কাউয়ুম মনে করেন, ক্ষুদ্র অর্থে এ প্রক্রিয়া গণপরিষদের প্রাথমিক ধাপ। তবে গণপরিষদ নয় বরং সংস্কার পরিষদ নির্বাচনের দাবি রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের।

হাসনাত কাউয়ুম বলেন, ‘এই নির্বাচনের মধ্যে দুইটা ক্ষমতা নেয়া যায় জনগণের কাছ থেকে, দুইটা ম্যান্ডেট চাওয়া যেতে পারে। এক নম্বর হচ্ছে- আমরা জাতীয় পরিষদের সদস্য হবো। দুই নম্বর হচ্ছে- আমরা সংবিধান সংস্কার পরিষদেরও সদস্য হবো। তাহলে প্রথমেই এরা তিন মাসের মধ্যে সংবিধান পরিবর্তন করে নেবে। তারপর তারা সরকার গঠন করবে।’

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য বিশেষ আইন ঘোষণার পাশাপাশি সংবিধান পরিবর্তনের পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐকমত্যে আসতে হবে। শিগগিরি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে তৃতীয় দফায় আলোচনা শুরু করবে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category